TET Sampan – বাংলায় সম্পূর্ণ TET প্রস্তুতি
Practice CentreTopic-wise mock tests with explanationsStart practising →
Weekly Mock Tests4 tests
Upper Primary TET - Social Studies / Social Science - Social and Political Life (সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন)Upper Primary TET - Social Studies / Social Science

রাজ্য সরকার

রাজ্য বিধানসভা, নির্বাচনী এলাকা, বিধায়ক, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা, রাজ্যপাল ও প্রশাসনের বাংলা আলোচনা।

Published by: TET Sampan Editorial Team Reviewed by: Social Science Review Team

রাজ্য সরকার (State Government)

ভারতের প্রতিটি রাজ্যে রাজ্যস্তরের আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং প্রশাসন পরিচালনার জন্য রাজ্য সরকার রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি (Agriculture), পুলিশ, সেচ, স্থানীয় সরকার (Local Government) ও রাজ্য সড়কের মতো বহু বিষয়ে রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।

নির্বাচনী এলাকা (Constituency) ও বিধায়ক (MLA)

রাজ্যকে একাধিক বিধানসভা (Legislative Assembly) নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়। প্রতিটি এলাকা থেকে ভোটাররা একজন প্রতিনিধি নির্বাচন করেন; তিনি বিধানসভার সদস্য বা বিধায়ক। বিধায়ক নিজের এলাকার সমস্যা উত্থাপন করেন এবং রাজ্যের আইন ও নীতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি কেবল এলাকার প্রশাসনিক কর্মী নন; রাজ্য আইনসভার প্রতিনিধি।

বিধানসভা (Legislative Assembly)

বিধানসভা রাজ্যের আইন প্রণয়নকারী নির্বাচিত কক্ষ। এখানে বিল নিয়ে আলোচনা ও ভোট হয়, বাজেট অনুমোদিত হয় এবং প্রশ্ন ও বিতর্কের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহি করানো হয়। কিছু রাজ্যে বিধানসভার পাশাপাশি বিধান পরিষদও আছে; সব রাজ্যে তা নেই।

সংখ্যাগরিষ্ঠ দল (Majority Party) ও সরকার গঠন

যে দল বা জোট বিধানসভায় অধিকাংশ সদস্যের সমর্থন পায়, সাধারণত তার নেতা মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) হন। কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলে একাধিক দল জোট গঠন করতে পারে। সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে বিধানসভার আস্থা বজায় রাখতে হয়।

মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) ও মন্ত্রিসভা (Council of Ministers)

মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের বাস্তব প্রধান। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে মন্ত্রীদের নিয়োগ করা হয় এবং বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভা সম্মিলিতভাবে বিধানসভার কাছে দায়বদ্ধ। কোনো নীতি শুধু একজন মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; তা সরকারি নিয়ম ও সম্মিলিত দায়িত্বের মধ্যে পরিচালিত হয়।

রাজ্যপাল (Governor)

রাজ্যপাল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি (President) তাঁকে নিয়োগ করেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের ভূমিকা এক নয়—মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্ব দেন, রাজ্যপাল সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন।

প্রশাসন (Administration)

মন্ত্রী ও আইনসভা (Legislature) নীতি নির্ধারণ করেন; সরকারি আধিকারিক ও কর্মীরা সেই নীতি বাস্তবায়ন করেন। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন দপ্তর রাজ্য প্রশাসনের অংশ। নির্বাচিত প্রতিনিধি রাজনৈতিকভাবে জবাবদিহি করেন, আর স্থায়ী প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে সরকারি কাজ চালায়।

বিরোধী দলের (Opposition) ভূমিকা

যেসব দল সরকার গঠন করে না তারা বিরোধী দল হিসেবে নীতি সমালোচনা, বিকল্প প্রস্তাব, প্রশ্ন ও বিতর্কের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহি করায়। গণতন্ত্রে বিরোধিতা বাধা নয়; যথাযথ বিরোধিতা সিদ্ধান্তের ত্রুটি প্রকাশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় সহায়ক।

জনস্বার্থের বিষয় কীভাবে সরকারের কাছে পৌঁছায়

নাগরিক, সামাজিক সংগঠন, সংবাদমাধ্যম ও জনপ্রতিনিধিরা কোনো সমস্যা প্রকাশ্যে আনতে পারেন। বিধায়কেরা বিধানসভায় প্রশ্ন তোলেন, মন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করে। স্বাস্থ্যসংকট বা জলাভাবের মতো বিষয়ে একাধিক দপ্তর ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় দরকার হয়।

মূল পার্থক্য

পদ বা প্রতিষ্ঠানপ্রধান ভূমিকা
বিধায়কনির্বাচনী এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি
বিধানসভারাজ্যের নির্বাচিত আইন প্রণয়নকারী কক্ষ
মুখ্যমন্ত্রীরাজ্য সরকারের বাস্তব প্রধান
রাজ্যপালরাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান
মন্ত্রিসভাবিভাগ পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়নের রাজনৈতিক নেতৃত্ব
প্রশাসনসরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের স্থায়ী ব্যবস্থা

বিধানসভায় আইন প্রণয়ন (Lawmaking)

প্রস্তাবিত আইন বিল হিসেবে বিধানসভায় উত্থাপিত হয়। আলোচনা, সংশোধন ও ভোটের পর গৃহীত বিল রাজ্যপালের সম্মতি পেলে আইনে পরিণত হয়। কিছু বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় স্তর আইন করতে পারে; বিরোধ হলে সাংবিধানিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

প্রশ্ন, বিতর্ক ও বাজেট

বিধায়কেরা প্রশ্নের মাধ্যমে মন্ত্রীদের কাছ থেকে তথ্য চান এবং জনসমস্যা নিয়ে বিতর্ক করেন। রাজ্য সরকার কোথা থেকে অর্থ পাবে এবং কোন খাতে ব্যয় করবে, তা বাজেটে দেখানো হয়। বিধানসভার অনুমোদন ছাড়া সরকার ইচ্ছামতো জনঅর্থ ব্যয় করতে পারে না।

নির্বাচনী এলাকা ও বিভাগের পার্থক্য

নির্বাচনী এলাকা প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ভৌগোলিক অঞ্চল। সরকারি বিভাগ হল স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা কৃষির মতো নির্দিষ্ট কাজ পরিচালনাকারী প্রশাসনিক ব্যবস্থা। একজন বিধায়ক নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধি; তিনি কোনো সরকারি বিভাগের স্থায়ী আধিকারিক নন।

জনস্বাস্থ্য: রাজ্য সরকারের উদাহরণ

সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, টিকাকরণ, রোগনিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল ও পরিচ্ছন্নতায় রাজ্য সরকারের বড় ভূমিকা থাকে। রোগ ছড়ালে চিকিৎসার পাশাপাশি কারণ শনাক্ত, জনসচেতনতা, নিরাপদ জল এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় দরকার। জনস্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত চিকিৎসার বিষয় নয়।

শাসক দল ও বিরোধী দল

বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনপ্রাপ্ত দল বা জোট শাসক পক্ষ। অন্য দলগুলি বিরোধী পক্ষ। শাসক দল নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেয়; বিরোধী দল প্রশ্ন, বিতর্ক ও বিকল্প প্রস্তাবের মাধ্যমে তার কাজ পরীক্ষা করে। উভয়ই জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত।

বিধায়ক ও মন্ত্রীর পার্থক্য

সব মন্ত্রী বিধায়ক বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনসভার সদস্য হন, কিন্তু সব বিধায়ক মন্ত্রী নন। বিধায়ক আইনসভায় প্রতিনিধিত্ব ও আইন প্রণয়নে অংশ নেন। মন্ত্রী অতিরিক্তভাবে একটি সরকারি বিভাগের রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেন এবং সেই বিভাগের কাজের জন্য আইনসভার কাছে উত্তর দেন।

সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা

সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা করের অর্থে পরিচালিত হয় এবং সবার জন্য সুলভ প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার দায়িত্ব বহন করে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাধারণত পরিষেবার বিনিময়ে সরাসরি মূল্য নেয়। বেসরকারি পরিষেবা থাকলেও নিরাপদ জল, টিকাকরণ ও মহামারি নিয়ন্ত্রণের মতো জনস্বাস্থ্য দায়িত্ব সরকার এড়াতে পারে না।

জনস্বাস্থ্য (Public Health) ও সমতা

দূরবর্তী অঞ্চল, দরিদ্র পরিবার ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চিকিৎসা পেতে বেশি বাধার মুখে পড়তে পারে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অবস্থান, কর্মীর উপস্থিতি, ওষুধ, যাতায়াত ও তথ্যের ভাষা পরিষেবার বাস্তব প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে। সমতা মানে শুধু হাসপাতালের দরজা সবার জন্য খোলা রাখা নয়।

সিদ্ধান্তের প্রবাহ

জনসমস্যা → নাগরিক ও গণমাধ্যমে উত্থাপন → বিধানসভায় প্রশ্ন ও আলোচনা → মন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নীতি → প্রশাসনের বাস্তবায়ন → আইনসভা ও জনগণের পর্যালোচনা

এই প্রবাহ সবসময় সরল নয়; আদালত, স্থানীয় সরকার ও সামাজিক সংগঠনও যুক্ত হতে পারে।

রাজ্য সরকারের সাংবিধানিক অবস্থান

অনুচ্ছেদ ১৬৮ রাজ্যের আইনসভা, অনুচ্ছেদ ১৬৩ রাজ্যপালকে সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য মন্ত্রিসভা এবং অনুচ্ছেদ ১৬৪ মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সাংবিধানিক ভিত্তি নির্ধারণ করে। রাজ্য মন্ত্রিসভা বিধানসভার কাছে সম্মিলিতভাবে দায়বদ্ধ।

রাজ্যের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্র

রাজ্য তালিকায় পুলিশ, জনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি ও স্থানীয় সরকারের মতো বিষয় রয়েছে। যুগ্ম তালিকার বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েই আইন করতে পারে। ক্ষমতার বিভাজন (Separation of Powers) থাকলেও স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দুর্যোগ বা পরিবেশের মতো ক্ষেত্রে কেন্দ্র, রাজ্য ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় দরকার হয়।

সাংবিধানিক পদগুলির সম্পর্ক

পদ বা প্রতিষ্ঠানভারতীয় ব্যবস্থায় অবস্থান
রাজ্যপালরাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান
মুখ্যমন্ত্রীনির্বাচিত রাজ্য সরকারের নেতৃত্বদানকারী বাস্তব প্রধান
মন্ত্রিসভারাজ্যপালকে পরামর্শ দেয় এবং বিধানসভার কাছে দায়বদ্ধ
বিধানসভানির্বাচিত আইন প্রণয়নকারী কক্ষ
উচ্চ আদালতরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত; বিচার বিভাগ (Judiciary) সরকারের অধীন দপ্তর নয়

বিধান পরিষদ কেবল কিছু রাজ্যে আছে। তাই প্রত্যেক রাজ্যের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট—এমন ধারণা সঠিক নয়।

রাজ্য কার্যনির্বাহীর বিস্তারিত কাঠামো

অনুচ্ছেদ ১৫৩ রাজ্যপাল, অনুচ্ছেদ ১৫৪ রাজ্যের কার্যনির্বাহী ক্ষমতা এবং অনুচ্ছেদ ১৬৩–১৬৪ মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার ভিত্তি দেয়। রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিযুক্ত হন। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের দ্বারা নিযুক্ত হন এবং অন্যান্য মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শে নিযুক্ত হন। বাস্তবে মন্ত্রিসভা বিধানসভার আস্থা নিয়ে সরকার পরিচালনা করে।

রাজ্যপালের সাধারণ ও বিবেচনামূলক ভূমিকা

সাধারণত রাজ্যপাল মন্ত্রিসভার সাহায্য ও পরামর্শে কাজ করেন। কোনো দল স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ, নির্দিষ্ট বিল রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষণ বা সংবিধান (Constitution) নির্ধারিত কয়েকটি ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ভূমিকা থাকতে পারে। বিবেচনামূলক ক্ষমতাও অসীম ব্যক্তিগত ক্ষমতা নয়; সংবিধান, বিচারিক সিদ্ধান্ত ও বিধিসম্মত রীতির অধীন।

রাজ্যের মহাধিবক্তা

অনুচ্ছেদ ১৬৫ অনুযায়ী রাজ্যের মহাধিবক্তা (Advocate General) রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ আইন আধিকারিক। রাজ্যপাল তাঁকে নিয়োগ করেন। তিনি রাজ্য সরকারকে আইনগত বিষয়ে পরামর্শ দেন এবং আইনসভায় কথা বলতে ও কার্যধারায় অংশ নিতে পারেন, কিন্তু কেবল এই অধিকারে ভোট দিতে পারেন না।

রাজ্য আইনসভার দুই রূপ

অধিকাংশ রাজ্যে কেবল বিধানসভা নিয়ে এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা (Unicameral Legislature) আছে। কিছু রাজ্যে বিধানসভা ও বিধান পরিষদ নিয়ে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা (Bicameral Legislature) আছে। বিধান পরিষদ স্থায়ী কক্ষ; এটি ভেঙে যায় না এবং সদস্যদের একটি অংশ পর্যায়ক্রমে অবসর নেন। সরকার বিধানসভার কাছেই সম্মিলিতভাবে দায়বদ্ধ।

রাজ্যপালের অধ্যাদেশ

রাজ্য আইনসভার অধিবেশন না থাকলে এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা প্রয়োজন হলে অনুচ্ছেদ ২১৩ অনুযায়ী রাজ্যপাল অধ্যাদেশ (Ordinance) জারি করতে পারেন। অধ্যাদেশের আইনের সমান কার্যকারিতা থাকলেও এটি অস্থায়ী এবং আইনসভা পুনরায় বসার পর সাংবিধানিক সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পেলে কার্যকারিতা হারায়। অধ্যাদেশ নিয়মিত আইন প্রণয়নের বিকল্প নয়।

বিধান পরিষদের সীমিত আর্থিক ক্ষমতা

অর্থবিল কেবল বিধানসভায় উত্থাপিত হয়। বিধান পরিষদ অর্থবিল প্রত্যাখ্যান বা স্থায়ীভাবে আটকে রাখতে পারে না; নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুপারিশ করতে পারে। সাধারণ বিলের ক্ষেত্রেও বিধানসভার তুলনায় পরিষদের ক্ষমতা সীমিত।

PRACTICE QUIZ

Take a Test from This Topic

39. রাজ্য সরকার — MCQ Test
30 questions

Start quiz →